জামিআ আরাবিয়া আশরাফুল উলূম-এর ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম

nivo slider image nivo slider image nivo slider image nivo slider image nivo slider image nivo slider image nivo slider image nivo slider image

জামিআ পরিচিতি
ইতিহাসের সোনারগাঁ, বাংলার প্রাচীন রাজধানী ছিল। সেই সাথে এই সত্যেরও সাক্ষ বহন করে- এতদ্বঅঞ্চল তথা গোটা বাংলায় সর্ব প্রথম ইলমে হাদীসের দরস শুরু হয় এই সোনারগাঁয়। বার শত খ্রীস্টাব্দে শরফুদ্দীন আবূ তাওয়ামা ও তাঁর শিষ্য ইয়াহ্ইয়া মুনীরী এ সোনারগাঁয়ে ইলমে নববীর শিক্ষা প্রচলন করে ছিলেন। কালের আবর্তে মুছে যাওয়া সোনারগাঁয়ের সেই ঐতিহ্যের সোনালী প্রভাত আবারো উদয় হয়েছে। প্রথম শ্রেণী হতে দাওরায়ে হাদীস পর্যন্ত ধারাবাহিক শিক্ষা কার্য্যক্রম চালু করেছে ‘জামিআ উলূকান্দী’
প্রতিষ্ঠা
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালল্লাম-এর রেখে যাওয়া আল্লাহর দ্বীনকে জগতে প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে যুগে যুগে কালে কালে হাজারো-লক্ষ মু’মিন সর্বস্ব শ্রম দিয়েছেন। শয়তানী চক্রান্তে অধ:পতনের প্রান্তশালায় নিমজ্জিত মানুষকে আল্লাহর পথে ফিরিয়ে আনতে কতজন কতভাবে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন, বিশেষত: যখন ধর্মহীন শিক্ষা অপসাংস্কৃতির কু-প্রভাব, শিরক-বিদআতের সয়লাবে নিমজ্জিত জাতির এক বিরাট অংশ- তখনি দ্বীন-ধর্ম রক্ষা ও ইলমে ওহী -সুন্নতে নববী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সযত্নে লালন করত: দ্বীনের হক্কানী আলেম, ইসলামের মহান খাদেম তৈরীর সুমহান মানষে ১৯৭০ সালে বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁয়ের অজপাড়া গাঁ উলূকান্দী গ্রামে এলাকার সর্বসাধারণের ঐকান্তিক প্রচষ্টোয় গড়ে উঠে ‘জামিআ আরাবিয়া আশরাফুল উলূম উলূকান্দী’।
আদর্শ
যে ইলমে ওহী মদীনা হতে বাগদাদ, কূফা, সমরকন্দ, বোখারা হয়ে উপমহাদেশকে আলোকজ্জল করেছে, সেই ইলমে ওহীরই এক শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ দারুল উলূম দেওবন্দের সিলসিলাভুক্ত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আদর্শ ভিত্তিক বৃহত্তর একটি দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই জামিআ উলূকান্দী।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
১. ইলমে দ্বীনের হেফাযত ও ব্যাপক প্রসারের মাধ্যমে আল্লাহর তাআলার হুকুম ও নবী (সা) এর সুন্নতের পুর্ণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে    নিয়মতান্ত্রিক তা‘লীম ও তারবিয়াতের মাধ্যমে হক্কানী আলেম তৈরী করত: তারবিয়্যাত ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশ ও জাতির খেদমতের উপযুক্ত করে গড়ে তোলা।
২. আকায়েদে আহলুস্ সুন্নাত ওয়াল জামআতের যথাযথ বাস্তবায়ন।
৩. মুসলিম মিল্লাতের ঈমান-আক্বীদা এবং দ্বীনে ইসলামের পরিপন্থী নাস্তিক্যতাবাদ, অপসাংস্কৃতি, শিরক-বিদআত ইত্যাদির নিয়মতান্ত্রিক মুকাবেলা করা, আমর বিল মা‘রুফ-নাহী আনিল মুনকার তথা ইসলাহী তৎপরতার মাধ্যমে ন্যায়-নীতি প্রতিষ্ঠা করা।
৪. সর্বপরি সকল কাজে মহা আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় হাবীবের সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেয়া।

Share